[email protected] ঢাকা | শনিবার, ৩রা অক্টোবর ২০২৬, ১৭ই আশ্বিন ১৪৩৩
thecitybank.com

বিশ্বকাপে কি কঠিন গ্রুপে পড়ল বাংলাদেশ

চাঁপাই জার্নাল ডেস্ক:

প্রকাশিত:
২ অক্টোবার ২০২৬, ২৩:৩৬

ম্যাচ শুরুর আগে কথা বলছেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। ছবি: সংগ্রহীত

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণার পর এ নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। পরশু রাতে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ ঠিক হওয়ার পরও তা হচ্ছে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কাকে। বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা একটা দলকেও গ্রুপসঙ্গী হিসেবে পাবে বাংলাদেশ।

গ্রুপটা যে কঠিন, এ নিয়ে এবার দ্বিধা নেই কারোরই। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও তাই মনে করেন। শুধু তো আর মুখে মুখে নয়—আইসিসি র‌্যাঙ্কিংও একই কথা বলছে।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে নিচে থাকা জিম্বাবুয়ে পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে। ঠিক ওপরে থাকা আফগানিস্তানও তাই, সম্প্রতি পারফরম্যান্সের অবনতি ঘটা পাকিস্তানও। বাংলাদেশের গ্রুপে র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে কাছাকাছি শ্রীলঙ্কাও আছে ওপরে, এখন পর্যন্ত ঠিক হওয়া বাকি তিন দলই সেরা ছয়ে।

তবে এসব দুশ্চিন্তা এখন দূরেই সরিয়ে রাখতে চান বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, ‘ড্র নিয়ে আসলে কারও কিছু করার নেই। এ জন্য আমরা অভিযোগ করতে পারব না। কালকে থেকে আমি দেখছি এটা নিয়ে সবাই খুব টেনশন করছে। কিন্তু গ্রুপ তো আর আমরা বেছে নিতে পারি না।’

আইসিসি টুর্নামেন্টের গ্রুপিং কখনো প্রকাশ্যে হয় না। তাহলে কীভাবে হয়? তা এমনকি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বোর্ডও ঠিকঠাক জানে না। বিসিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন, পুরো গ্রুপিংটাই আসলে বাণিজ্যিক দিক মাথায় রেখে হয়। আরও নির্দিষ্ট করে বললে যত বেশি সম্ভব ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের জন্য। এই দুই দলের যত বেশি ম্যাচ, তত আয়। সেই অর্থের ভাগ পাওয়ায় বাকি দলগুলোও গ্রুপিং নিয়ে কখনো আপত্তি করে না। কে কোন গ্রুপে পড়বে, তা ঠিক করে দেয় আইসিসিই।

৮ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ। ১২ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড, ১৬ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা, ১৯ অক্টোবর স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২৩ অক্টোবর বাছাইপর্ব খেলে আসা দলের বিপক্ষে খেলবে তারা।

হাবিবুল মনে করেন বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে জিততে হবে বড় দলগুলোর বিপক্ষেই, ‘আমাদের গ্রুপটা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী, এটা তো দেখাই যাচ্ছে। কিন্তু আমরা যদি ভালো দল হই, আমাদের এই গ্রুপেই ভালো করতে হবে। এটা নিয়ে এখন হাহুতাশ করা ঠিক হবে না।’

বাংলাদেশের দুশ্চিন্তাটা তাই আপাতত নিজেদের নিয়েই। ওয়ানডে বিশ্বকাপের সর্বশেষ দুই আসরে ভালো করতে পারেনি। শেষ মুহূর্তে দলে অদলবদলও হয়েছে অনেক। এবার তাই এখন থেকেই এ নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ।

সব বিভাগেই চোট কিংবা অন্য কোনো কারণে কেউ না থাকলে সম্ভাব্য বিকল্প কে হবেন, তা–ও ভেবে রাখা হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকা-জিম্বাবুয়ে-নামিবিয়ায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপে একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডারও দলে দরকার মনে হচ্ছে নির্বাচকদের। ওই অনুযায়ী পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।

তাঁর শুধু চাওয়া বিশ্বকাপের আগে চোট যেন হানা না দেয় দলে, ‘আমি চাই বিশ্বকাপের সময় সবাই সুস্থ থাকুক। আর ওই সময় আমাদের খেলোয়াড়েরা তাদের সেরা ফর্মে থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, সেরা খেলোয়াড়েরা বিশ্বকাপে সেরা ছন্দে থাকে না। এটাই আমরা চিন্তা।’

ডেস্ক/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর