প্রকাশিত:
৭ অক্টোবার ২০২৬, ১৫:২৪
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর এবং চাঁপাইনবাবঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আজকে আমরা সারাদেশে দেখছি ডেঙ্গু পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। এটি সরকার আচ করতে পেরে জাতীয় ভাবে একটা সেল গঠন করেছেন, মনিটরিং করার জন্য সারাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি। কিন্ত এটা শুধু রির্পোটিং বেজ কাজ হচ্ছে। ডেঙ্গু সচেতনতা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণসহ ফিল্ড মুখি যে কার্যক্রম দরকার সেই ব্যাপারে যথেষ্ট অব্যাবস্থাপনা ও ঘাটতি রয়েছে। আজকে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোর চিত্র খুবই করুণ। যেখানে যে পরিমাণ মেডিক্যাল অফিসার থাকার কথা তার ৫০ ভাগও মেডিক্যেল অফিসার নাই। এই ধরণের একটা পরিস্থিতি বর্তমানে বিরাজ করছে।
বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু পরিক্ষার কীট বিতরণ অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি।
তিনি আরোও বলেন, গোটা বাংলাদেশের মধ্যে রেড জোন হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আর জেলার মধ্যে শহর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা আরোও বেশি। এখানে যুবক ছেলেরা ডেঙ্গুতে মারা যাচ্ছে সবগুলো রির্পোটে আসছে না। এখান থেকে যে রোগী গুলো রাজশাহী চলে যাচ্ছে সেইগেুলোর তথ্য এখানে আসছে না। কিন্ত তারা তো মারা যাচ্ছে। গত সাতদিনে দুইজন মারা গেছে। কিন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের রির্পোটে দুই বা তিন জন মারা যাওয়ার সংখ্যা। তার মানে হচ্ছে এখান থেকে জটিল হয়ে গেলে চলে যাচ্ছে রাজশাহী বা ঢাকা । তারা সেখানে মারা গেলে সেটা এখানে কাউন্ট হচ্ছে না। আসলে এটা এখানেই কাউন্ট হওয়া উচিত ছিল। তাই প্রকৃত অর্থে এখন যে সংখ্যাটা দেওয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে বা জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে। এই রির্পোটটা যথার্থ নয়। সেটা আমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে দেখছি। অতএব গোটা বাংলাদেশে যে চিত্রটা দেখানো হচ্ছে সেটা একটা ফেক চিত্র, সঠিক চিত্র নয়। প্রকৃত অবস্থা আরোও ভয়াবহ। প্রকৃত চিত্র সরকারের কাছে থাকা উচিত।
এই সময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আব্দুল হাকিম, আরএমও ডা. মাহবুবু হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুখলেসুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বক্কর, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ আব্দুল আলীম ও পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানীসহ প্রমুখ।
এম.এ.এ/আ.আ
মন্তব্য করুন: