প্রকাশিত:
৫ আগষ্ট ২০২৬, ১১:৫৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় বাবুডাইং আলোর পাঠশালার বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী এবং কোল ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নবজাতক শিশুর মায়েদের নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়েছে।
‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’- স্লোগান বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিদেশী উন্নয়ন সংস্থা ফুড ফর দি হাংরি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জে এরিয়া প্রোগ্রামের ঝিলিম কমিউনিটি কার্যালয়।
বাবুডাইং আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মা ও নবজাতকদের নিয়ে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন এফএইচ এসোসিয়েশন, ঝিলিম কমিউনিটি কার্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটর আয়েশা খাতুন, রুপলাল মুর্মু, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস ও লুইশ মুর্মু, সিনিয়র শিক্ষক শিরিনা খাতুন প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংস্থার ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ভলান্টিয়ার দর্শন হাঁসদা।
বক্তারা বলেন, একটি শিশুর জন্মের পর তার জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার হলো মায়ের দুধ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এবং ইউনিসেফ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, শিশুর জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে তাকে শালদুধ খাওয়ানো অত্যন্ত জরুরি। এই শালদুধ হলো শিশুর জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিষেধক প্রথম টিকা, যা শিশুকে নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধি ও রোগ থেকে রক্ষা করে।
বক্তারা আরোও বলেন, জন্মের পর প্রথম ৬ মাস একটি শিশুর জন্য মাতৃদুগ্ধই একমাত্র খাবার। এই ৬ মাস শিশুকে এক ফোটা পানিও দেয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ মায়ের দুধেই রয়েছে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পানি, পুষ্টি ও ভিটামিন। ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর মাতৃদুগ্ধের পাশাপাশি পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার দেওয়া শুরু করতে হবে এবং শিশুর বয়স ২ বছর হওয়া পর্যন্ত মায়ের দুধ অব্যাহত রাখা উচিত।
নূর/আ.আ
মন্তব্য করুন: